Header Ads Widget

Responsive Advertisement

New Post

6/recent/ticker-posts

পুডু পুডা হরিণ! বিশ্বের সবচেয়ে ছোট হরিণ

পুডু হরিণ! বিশ্বের সবচেয়ে ছোট হরিণ!!🥰🥰

পুডুস পুডু প্রজাতি থেকে দক্ষিণ আমেরিকার হরিণের দুটি প্রজাতি এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট হরিণ। নামটি ম্যাপুদুঙ্গুনের একটি লোনওয়ার্ড, মধ্য চিলি এবং দক্ষিণ-পশ্চিম আর্জেন্টিনার আদিবাসী ম্যাপুচির ভাষা। 
হরিণ প্রজাতির জন্য পুডুর কিছু আকর্ষণীয় আচরণগত অভিযোজন রয়েছে। যখন তারা বিপদ অনুভব করে তখন তাদের ছাঁটাই হয় এবং যখন তাড়া করা হয়, তখন তারা শিকারিদের হাত থেকে বাঁচার জন্য একটি জিগ-জ্যাগ প্যাটার্নে চলে
পুডুর বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Pudu puda. মূলত পুডু গণের হরিণ প্রজাতিগুলোই আকারে ছোট। এদের মাথা ও শরীরের দৈর্ঘ্য ৮৫ সেন্টিমিটার। কাঁধের উচ্চতা ৩৫-৪৫ সেন্টিমিটার, লেজ ৮ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। সাধারণতঃ এদের ওজন হয় ৬.৫-১৩.৫ কেজি।
 
এদের শরীরের রং হয় লালচে বাদামী থেকে কালচে বাদামী। শরীরের নিচ এবং পায়ের দিকে কিছুটা উজ্জ্বল হয়। মুখ এবং কানের ভিতরটা কমলা রংয়ের হয়। চোখ আর কান ছোট হয়। বাচ্চাগুলোর গায়ে সাদা দাগ থাকে। তাই এরা ঝোপের আড়ালে খুব সহজে লুকিয়ে যেতে পারে। পুরুষের অ্যান্টলার বা শিং থাকে যা জুলাই মাসে পড়ে যায়।

সাউদার্ন পুডু একাকী থাকে। তবে এপ্রিল থেকে মে মাস অর্থাৎ প্রজনন মৌসুমে পুরুষ হরিণের সাথে বিচরণ করে। এদের গর্ভধারনকাল প্রায় ৭ মাস। এরা বছরে একটি বাচ্চা দেয়। বাচ্চাগুলো প্রায় দুই মাস দুধ পান করে। তবে বাচ্চাগুলো ৮-১২ মাস বয়সে মা থেকে পৃথক হয়ে যায়।
 
এই হরিণ প্রচন্ড পরিশ্রমী প্রাণী। এরা  দিবারাত্রি সমানভাবে খাবারের জন্য বের হয়। এরা ঘাস, পাতা, বাকল, বীজ, ফলমূল খেয়ে থাকে। ছোট আকার হওয়ায় এরা প্রায়ই পিছনের দুই পায়ে ভর দিয়ে উচু হয়ে খাবার খায়। আকারে ছোট ও পাতলা হওয়ায় অনেকে একে পুষতে নিয়ে আসে। আর তাই এটিও এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।

Post a Comment

0 Comments